x 
Empty Product

mango 1024x731 300x214 আমের জীবনরহস্য উদ্‌ঘাটনে ভারতিয় বিজ্ঞানীরাজনপ্রিয় ও ফলের রাজা আমের জীবনরহস্য উদ্‌ঘাটনে ভারতের বিজ্ঞানীরা।আমের বংশগতির ৯০ শতাংশ তথ্য লিপিবদ্ধ (জিনোম সিকোয়েন্সিং) করেছেন । আর এর ফেছনে কাজ করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা।এখনপর্যন্ত তারা যৌথভাবে আমের বংশগতির ৯০ শতাংশ তথ্য লিপিবদ্ধ করেছেন।আর এই তথ্য উদঘাটন করতে তাদের আমের বংশগতির প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি বেস পেয়ার লিপিবদ্ধ করতে হয়েছে।এই কাজ সম্পন্ন হলে আমের নতুন নতুন সুস্বাদু জাত উদ্ভাবনের দুয়ার খুলে যাবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

Published in ব্লগ

ফাগুনের ছোঁয়ায় পলাশ শিমুলের বনে লেগেছে আগুনরঙা ফুলের মেলা। শীতের জড়তা কাটিয়ে কোকিলের সেই সুমধুর কহুতানে মাতাল করতে আবারও ফিরে এলো বাংলার বুক মাতাল করতে বাসন্তরানী।রঙিন বনফুলের সমারোহে প্রকৃতি যেমন সেজেছে বর্ণিল সাজে।তেমনি নতুন সাজে যেন জেগে উঠেছে মাটিরাঙ্গার আম্রপলির বাগান গুলো।আম্রমুকুলের সাজ সাজ রব আর ঘ্রানে উপজেলার সর্বত্র জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনি বার্তা।শোভা ছড়াচ্ছে আম্রমুকুল তার নিজস্ব মহিমায়। মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে বাগান গুলো । প্রায় ৯০ শতাংশ গাছে ই মুকুল এসেছে । বাগান মালিক ,কৃষিবিদ, আমচাষীরা আশা করছেন বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ,মাটিরাঙ্গা  উপজেলায়  আমের বাম্পার ফলন হবে । আমচাষী ,বাগান মালিকরা বাগানে পরিচর্চা নিয়ে এখন ব্যস্থ সময় পার করছেন । অবশ্য গাছে মুকুল আশার আগে থেকেই  গাছের পরিচর্চা করে আসছেন চাষীরা । যাতে করে গাছে মুকুল বা গুটি বাধার সময় কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয় । মুকুল থেকে মৌ মাছিরা ঝাকে ঝাকে মধু আহরনে ব্যস্ত,মৌ মৌ সুরে মুখরিত এখন আম্রপলির বাগন।বাগানের সারিবদ্ধ গাছে ভরপুর আমের মুকুল যেন শোভা ছড়াচ্ছে তার নিজস্ব মহিমায় ।

পার্বত্যাঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া আম্রপলি,ফজলি ,মালদা,সহ অন্যান্য জাতের আম চাষের উপযোক্ত হওয়ায় চাষীরা নিজ উদ্যোগে প্রথমে রাজশাহী,চাপাই নবাবগঞ্জ,কুড়িগ্রাম থেকে কৃষকরা চারা সংগ্রহ করে  আমের বাগান সৃজন করলেও বর্তমানে তারা নিজেরাই চারা উৎপাদন  করে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য প্রানপন সংগ্রাম করে যাচ্ছে ।সুফল ও পেয়েছেন অনেকেই ।কথা হয় আম চাষে সফল কৃষক জেলার মাটিরাঙ্গার আদর্শ গ্রামের কৃষক ফরিদ ডিলার, বুদং পাড়ার মোহাম্মদ উল¬াহ ,মুসলিম পাড়ার আঃ খালেক ,গুইমারা থানার বড়পিলাক গ্রামের  আসাদ গাজী, ডাঃ শাহ আলম,মোঃ হাসুমিয়া, শাহজাহান গাজী,মেম্বার সৈয়দ হোসেন ,ওয়াছকুরুনী ও সিদ্দিক মিয়া,আমির হোসেনসহ অনেকের সাথে । তারা জানান শীতের জড়তা কাটিয়ে বসন্তের আগমন ধীরে ধীরে উষ্ণ হাওয়া বয়তে শুরু করা ও ক্ষতিকারক পোকার আক্রমন কম থাকায় এবার কাঙ্খিত ফলনের আশা করছে কৃষকরা ।
মাটিরাঙ্গা,রামগড় ও গুইমারা এলাকার আম চাষীরা , আমচাষে উদ্ভোদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে খাগড়াছড়ি থেকে নির্বাচিতি সাবেক সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াদুদ ভুইয়ার কথা বার বার স্বরন করেন ।ওয়াদুদ ভুইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে চাষীরা জানান গত বিএনপি সরকারের আমলে ওয়াদুদ ভুইয়া  উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে বিনামুল্যে চারা,পরিচর্চার খরচ,শ্রমের মুজুরীসহ প্রতিটি বাগানে একটি করে ঘর তৈরী করে দিয়ে পার্বত্যাঞ্চলের চাষীদের কে আম সহ মিশ্র ফল চাষে উদ্ভোদ্ধ করেছেন। পুরো উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে তিনি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে পুর্নবাসন প্রকল্পের আওতায় শতশত একর মিশ্র ফল বাগান সৃজন করে দিয়ে অনন্ন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ।
এছাড়া বাগানে সেচ দেওয়ার জন্য সেলু মেশিন দিয়ে মিশ্র ফল চাষে উদ্ভোদ্ধ করছেন কৃষকদের।এসব বাগানের সুিবধা ভোগিদের সুফল দেখে চাষীরা আম চাষে উৎসাহিত হয়ে নিজ নিজ উদ্যোগে নতুন নতুন বাগান সৃজন করছেন অনেকে।ধিরে ধিরে পার্বত্যাঞ্চলে স¤প্রসারিত হচ্ছে আমের বাগান।পার্বত্যাঞ্চলে উৎপাদিত আম মানসম্মত হওয়ায় চাহিদাও রয়েছে অনেক ।মাটিরাঙ্গা    কৃষি স¤প্রসারন অধিদপ্তর জানান এবছর আবহওয়া অনুকুল  থাকায় আমের উৎপাদন গত বছরের চাইতে অনেক বৃদ্ধি পাওয়ার আশা করা যায় ।

Published in ব্লগ
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  4 
  •  5 
  •  Next 
  •  End 
Page 1 of 5