x 
Empty Product

003আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর চাঁদপুর জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আমগাছগুলোতে শোভা পেয়েছে আমের মুকুল। আর এই মুকুল বসন্তের বিভিন্ন গাছের পাতা পরিবর্তন, তুলাগাছের ফুলের সাথে যোগ করেছেন রূপের নতুন মাত্রা। শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এ বছর আমের মুকুল গুলো ফুলের মত ফুটে আছে। গাছে আম আশার পূর্বে মুকুলগুলোর এমন দৃশ্য দেখে মন ভরে যায়।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, চাঁদপুর জেলা সদর, মতলব উত্তর, দক্ষিন, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি, কচুয়া ও হাইমচর উপজেলার প্রত্যেকটি গ্রামের আম গাছে কম বেশী আমের মুকুল বেরিয়েছে। চাঁদপুরে এখনো বাণিজ্যিক ভাবে আমের চাষ হয় না। তারপরও বাড়ির আঙ্গিনা আর বাগানে যেসব আম গাছ রয়েছে, সেগুলোতে আমের মুকুল দেখাগেছে অন্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের অধিবাসি আঃ রহিম জানান, তাঁদের বাড়ী ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে। পুরো বাড়ীতে রয়েছে শত শত আমগাছ। গত বছর অনেক গাছেই আমের মুকুল আসেনি। কিন্তু এ বছর ছোট বড় সব গাছেই মুকুল এসেছে। তিনি আশা করছেন যদি কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ না আসে তাহলে আমের কাংখিত ফলন হবে।
সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা বাতেন মিয়াজী জানান, তাঁর বাড়ীতে বড় বড় আকৃতির বেশ কয়েকটি আম গাছ রয়েছে। এ বছর তুলনামূলক বেশী মুকুল এসেছে গাছে। তবে অনেক আম গাছ যতœ না নেওয়ায় রুগ্ন দেখা যায়। গাছের গোড়ায় মাটি নেই। কোন ধরনের পরিচর্যা নেই। তারপরও প্রাকৃতিকভাবেই আমগাছগুলো ফলন দিয়ে যাচ্ছে।
চাঁদপুর জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরে বাণিজ্যিকভাবে কোন আমের চাষ হয় না। তবে ইদানিং কিছু নার্সারীর মালিকগণ নতুন জাতের আমের চারা আমদানি শুরু করেছে। তবে চাঁদপুরে প্রায় ৬০ প্রকারেরও বেশী আম ফলন হয়।
অনেক প্রশিক্ষিত কৃষক নতুন নতুন আমের বীজ লাগিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বাবুরহাট এ্যাপোলো নার্সারিসহ বিভিন্ন নার্সারীতে ফজলী, নেংড়া ইত্যাদি আমের চারা পাওয়া যায়। মাটির উর্বর শক্তি দেখার জন্য পরীক্ষামূলক ভাবে অনেকেই এসব আমের ছারা লাগিয়েছেন। তবে যাদের পরিত্যক্ত জমি পড়ে আছে, তাদের জমিগুলোতে কৃষি বিভাগের পরামর্শক্রমে পরিকল্পিতভাবে আমের বাগান করলে বেশ লাভজনক হবে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন নার্সারী মালিক।

Published in ব্লগ

 

কুষ্টিয়া জেলার সর্বত্র আম গাছে আগাম মুকুল আসতে শুরু করেছে। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে এর সুন্দর গন্ধ। আমের আগাম মুকুল জানান দিচ্ছে মধুমাস সমাগত। নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক মাস আগেই আবহাওয়া জনিত ও জাতের কারণেই মূলত আমের মুকুল আসতে শুরু করেছে।

তবে চলতি মাসের শেষে দিকে প্রতিটি গাছেই পুরোপুরি ভাবে মুকুল ফুটতে শুরু করবে। যেসব গাছের আগাম মুকুল আসতে শুরু করেছে, সেসব বাগানের মালিকরা রীতিমত পরিচর্যা শুরু করে দিয়েছে।

বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না ঘটলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে চাষি ও বাগান মালিকরা আশা করছেন। বর্তমানে কুষ্টিয়া সদরসহ মিরপুর, ভেড়ামারা, খোকসা, কুমারখারী ও দৌলতপুর উপজেলায় এলাকায় বাণিজ্যিক ভাবে প্রায় সব জাতের আম উৎপাদন হয়।

আমচাষ লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর কৃষি জমিতে আমের বাগান করে চাষ করা হয়। কুষ্টিয়ার আম চাষি হারন-উর-রশিদ জানান, শীতের তীব্রতা থাকলে ও কয়েক সপ্তাহ থেকে আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার গাছগুলোতে মুকুলের সমারোহ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। আমচাষিরা আশান্বিত আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে নিশ্চিতভাবে আমের ভাল ফলন হবে।

কুষ্টিয়া কৃষি সমপ্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান বলেন, আগাম যেসব গাছে আগাম মুকুল আসা শুরু হয়েছে, তা কেবল আবহাওয়া ও জাতের কারণে। গাছে আগাম মুকুল আসার বিষয়ে তিনি বলেন, মুলত ৩ টি পর্যায়ে আমের মুকুল আসে। যার প্রথম পর্যায় শীতের শেষে মাঘ মাসে শুরু হয়েছে। পুরনো জাতের গাছগুলোতে মুকুল ধরেছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে চলতি মাসের শেষের দিক পর্যন্ত সব গাছের মুকুল দেখা যাবে।

গত বছর ডিসেম্বরের শেষের দিকে গাছের মুকুল আসতে শুরু করেছিল। তিনি আরও জানান, প্রতি বছর আম বাগানের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। জেলায় বিশেষ করে লেংরা, গোপাল ভোগ, ক্ষীরসা পাত, আর্শ্বিনা, ফজলি, হিম সাগর, কাঁচা মিঠা, মোহনা, রাজভোগ, রূপালী ছাড়াও  ইদানিং হাইব্রিড জাতের, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্ণরেখাসহ বিভিন্ন প্রজাতির আম চাষ শুরু হয়েছে।

Published in ব্লগ
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  4 
  •  5 
  •  6 
  •  7 
  •  Next 
  •  End 
Page 1 of 7