x 
Empty Product

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সারাদেশের ন্যায় মত চাঁপাইনবাবগঞ্জেও টানা ৭দিন ধরে প্রবল বর্ষনের কারণে আম ব্যবসায়ী ও আম চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। টানা বর্ষনের কারনে আম ব্যবসায়ীরা গাছ থেকে আম পাড়তে পারছেন না। অন্যদিকে গাছে পাকা আম নিয়েও বিপাকে পড়েছে আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অত্যন্ত কষ্ট করে আম চাষীদের গাছ থেকে আম পাড়তে হচ্ছে।

আর এই সুযোগে জেলার সকল আম বাজারে আড়ৎদাররা পানির দরে আম কিনছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে যে আম ৪/৫ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হতো তা এখন ব্রিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে ২৫’শ টাকায়। অন্যদিকে প্রবল বর্ষনের কারণে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা বাগান থেকে আম পাড়তে না পারায় কানসাট সহ জেলার অন্যন্য বাজারগুলো প্রায় আম শূণ্য হয়ে পড়েছে। বেকার হয়ে পড়েছে হাজার হাজার শ্রমিক।

কানসাট এলাকার শফিক নামে একজন শ্রমিক বলেন, আমরা আম মৌসুমে চার মাস কাজ করে যা উপার্যন করি তা দিয়ে সারা বছর কোন রকমে চলে যায়। কিন্তু গত পনের দিন থেকে কোন রকম কাজ না থাকায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন পার করতে হচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসন ফরমালিনের অজুহাতে জেলা থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার পথে আম ভর্তি ট্রাকগুলোতে ফরমালিন পরীক্ষার নামে হয়রানী ও আম নষ্ট করে দেয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে ব্যবসায়ীরা।

পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পরমালিনমুক্ত সনদ দিয়ে গত পনের দিন থেকে আম পরিবহন শুরু হলেও বাদ সেজেছে আবহাওয়া। এদিকে অভিযোগ উঠেছে কতিপয় ব্যবসায়ী আমের গাড়িতে ফেন্সিডিল পাচার করছে। গোমস্তাপুর থানা পুলিশ আমের ক্যারেটে ফেন্সিডিল ওঠানোর সময় ১৮’শ বোতল ফেন্সিডিল আটকও করেছে।

এছাড়া এখনও কতিপয় ব্যবসায়ী ম্যানেজ পদ্ধতি অবলম্বন করে বিভিন্ন পন্থায় ফরমালিনযুক্ত আম ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এসবের মূলহোতা হিসেবে কাজ করছে শিবগঞ্জের বিএনপি ঘরানার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি।

Published in ব্লগ

ফরমালিন মেশানো আম খেয়ে একই পরিবারের চারজন হাসপাতালেআম খেয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরা হচ্ছেন অলিউল্লাহ (২১), শাহীন (২৫), আবুবকর (১৬) ও মো. মাইনুল (৩৮)। বুধবার সকাল নয়টার দিকে আক্রান্তরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। প্রথম তিনজনে আপন ভাই। এদের বাড়ি টিয়াখালী ইউনিয়নের মধ্য-রজপাড়া গ্রামে। আক্রান্তরা জানান, নিকট আত্মীয় ইউনুচ মিয়া কলাপাড়া পৌর শহরের এতিমখানা মোড়ের শানুর দোকান থেকে দুই কেজি আম কিনে তাদের বাড়িতে নিয়ে বেড়াতে যান। ওই আম খেয়ে তারা মঙ্গলবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবস্থার ক্রমশ অবনতি ঘটতে থাকায় বুধবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর মাইনুল মনোহরি পট্টির চৌরাস্তা থেকে কেনা আম খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আক্রান্তদের অভিযোগ এসব আমে ফরমালিন মেশানোর কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কলাপাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম জানান, এদের সবাইকে যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। কলাপাড়া থানার ওসি মো. এসএম মাসুদুজ জামান জানান, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের সহায়তায় একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আমের দোকানে অভিযান চালানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিক্রেতাদের শণাক্ত করা গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Published in ব্লগ
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  4 
  •  5 
  •  Next 
  •  End 
Page 1 of 5