x 
Empty Product

রহনপুর অষ্টভূজী ইমারত (ভিডিও)

User Rating:  / 0
PoorBest 

গোমস্তাপুর উপজেলার সদও দপ্তর রহনপুরের উত্তর প্রান্তের নওদা বুরুজের ঠিকা দক্ষিণ পাশের কিঃমিঃ দুওে অপেক্ষাকৃত উচু ভুমির উপর অষ্টভ ইমরতটি বিদ্যমান এটি একটি বিচিত্র ধরনের ইমারত

গোমস্তাপুর উপজেলার সদও দপ্তর রহনপুরের উত্তর প্রান্তের নওদা বুরুজের ঠিকা দক্ষিণ পাশের কিঃমিঃ দুওে অপেক্ষাকৃত উচু ভুমির উপর অষ্টভ ইমরতটি বিদ্যমান এটি একটি বিচিত্র ধরনের ইমারত

এর বাইরের দিক থেকে পরিমাপ ২৬.৫৩ মিটার ভবনের প্রতৌকটি বাহু .৩৭ মিটার পুরু এবং .৩৪মিটার দীর্ঘ প্রত্নতাত্বিক অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষণ সংস্কারের  পূর্বে গৌড়িয়অ ইট দ্বারা নির্মিথ ভবনটি বেশ জীর্ণ অবস্থায় ছিল অষ্টকোণাকারে নির্মিত ক্ষুদ্র ইমারতের উত্তর, দক্সিণ, পুর্ব পশ্চিমে রযেছে ৪টি খিলানযুক্ত প্রবেশ পথ ইমারতটির একটি মাত্র গম্বুজ যা অষ্ট দেয়াল পিপা আকৃতির হয়ে উর্দ্ধে উঠে গম্বুজওে ভার বহন করচ্ দেরজার উভয় পাশের দেয়ালে সুন্দর প্যানেলিং এর কারুজকাজ রযেছে প্রতৌক দরজার দুপাশে শোভাবর্ধক সরু মিনার স্থাপিত প্রতি দরজার উপওে টি করে খিলান দরজার নকশা, এর মধ্যে মধ্যবর্তীটিতে শাপলা ফুল অংকিত রযেছে এর অনুভুমিক প্যারপটের বন্ধ মেরলনের সারি দ্বারা অলংকৃত ইমরত অভ্যন্তওে মগ¦ুজ ন্মিদেশে বিচিত্র নকশা ছোট ছোট কুলুংগি রয়েছে ক্ষুত্রাকৃতির কুলুঙ্গিগুলো সম্ভবত বাতি রাখার জন্য ব্যভহৃত হত গম্বুজের শীর্ষদেশে পদ্মফুল এবং এর কেন্দ্র বিন্দুতে উপরিভাগে কলস চুড়া শোভিত

                প্রাচীন ইমরতটি স্থাপত্য লৈীগত দিক থেকে সপ্তদশ শাব্দীর দিকে মুঘল রীতিতে  নির্মিত বলে অনুমিত হয় তবে কি উদ্দেশ্যে ভবনটি নির্মিত বলে অনুমিত হয় তবে কি উদ্দেশ্যে ভবনটি নির্মিথ হয়েছিল তা পরিস্কার ভাবে জানা যাচ্ছে না কিন্তু স্থানীয়ভাবে ইমারতটি কোন সমাধী সৌধ হতে পারে বলে ধারনা করা হয়১৫৬ বর্তমানে সবাধারের কোন আলামতবা চিহ্ন নেই কিন্তু চতুর্পাশের দরজা দৃষ্টে মনে হয় এটি কোন প্রখ্যাত ওরির মাজার হতে পারে কারণ প্রাচীন ইমারতগুলির মধ্যে অধিকাংশ বিলুক্তি ঘটেছে শুধু পবিত্র স্থানগুলি আজো টিকে আছে যেমনিভাবে টিকে আছে ঐতিহাসিক গৌড় নগরে ঐতিহাসিক আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিঅ ইমারতটিকে একটি মাজার বলে উল্লেখ কনের এটি সপ্তদশ-অষ্টাদশ শতাব্দীর পওে নির্মিথ হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন ডঃ আহম্দ হাসান দানীও একই মত প্রকাশ করেন১৫৭ খুব সম্ভব সবধারটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে এখানকার মাল-মসলা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সময়ের বিচাওে এটি সম্ভবতঃ বাংলার মুসলিম স্থাপত্যের ইতহিাসে সর্ব প্রথম অষ্টভূজি ভবনের নিদর্শন  পরবর্তীকালে বৈশিষ্ঠ্যেও পূণরাবৃত্তি দেখা যায় রাজমহলের বেগমপুরের অষ্টভজি সমাধী সৌধ থেকে এসেছে মিহরাবের উপস্থিতি ভবনটিকে সমাধী সৌধ হিসেবেই বিবেচনার ইঙ্গিত প্রদান করে১৫৮  সুতরাং এটি যে একটি প্রাচী মাজার বা সমাধী সৌধ তা নির্দিধায় বলা যায় কে জানে স্থানে কোন পূণ্যবান ব্যাক্তি বা কোন ওলি আউয়িঅ অথবা কোন উচ্চ বংশী রাজ পুরুষ শুয়ে আছেন

                ১৯৭৮ খ্রিঃ প্রত্নতত্ব বিভাগ সম্ভবতঃ অষ্টভজি ইমারতের আঙ্গিনা সরকী ঢালাই করেছে ভবনের চারপাশে প্রায় বর্গ কিঃ মিঃ এলাকাজুড়ে অজ¯্র মৃৎপাত্র, প্রাচীন ইট পাথরের বগ্ণাংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রযেছে কিন্তু ক্রমবর্ধমান আবাদী জমির  প্রয়োজনের তাগিদেই স্থনটি হয়ে গেছে ফসল জমি জমি কর্ষণ করতে গেলেই প্রচুর পরিমান ইট পাথরের ভগ্নাংশ বের হয়ে পড়ে কৃকেরা সে সব ইট পাথরের ভগ্নাংশ ক্ষেতের আইলে স্থপীকৃত কওে চাষাবাদ করে থাকে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় যে দূও অতীতে এখানে সারিবদ্ধ সুসজ্জিত প্রচুর ইমাতের অস্তিত্ব ছিল


 

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found